২০ এপ্রিল ,সোমবার, ২০২৬

  • দিনপ্রতিদিনবিডি ডেস্ক

  • ২৮ ফেব্রুয়ারি ,শনিবার, ২০২৬
“কাওরানবাজার: সিন্ডিকেটের গোলকধাঁধায় বন্দি রাজধানী”

“৫ আগস্টের পর শুধু বদলেছে মুখ, কাওরানবাজার এখনো চাঁদাবাজির দখলে”

“যেখানে প্রতিটি ধাপে জমে আছে ঘাম আর চাঁদা: কাওরানবাজার কি তবে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য?”
“৫ আগস্টের পর শুধু বদলেছে মুখ, কাওরানবাজার এখনো চাঁদাবাজির দখলে”

অনলাইন সংগৃহীত ছবি


রাজধানীর নিত্যপণ্যের মূল্য নির্ধারণে সবচেয়ে প্রভাবশালী পাইকারি বাজার হিসেবে পরিচিত কাওরানবাজার। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক সবজি, মাছ, ফল, চাল-ডালসহ প্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে আসে এই বাজারে। এখান থেকেই খুচরা বাজারে ছড়িয়ে পড়ে দ্রব্য, আর এখানকার দরেই অনেকটা ঠিক হয় সারা শহরের মূল্য। অথচ অভিযোগ- এই গুরুত্বপূর্ণ বাজার এখন চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে এক রকম ‘স্বর্গরাজ্যে’ পরিণত হয়েছে।

ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রতিদিন সাধারণ আড়তদার, পরিবহন শ্রমিক, দোকানদার ও হকারদের কাছ থেকে আদায় করা হয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা। এই টাকার বড় অংশ ভাগ হয়ে যায় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকর্মী, কিছু অসাধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রভাবশালী মহলের হাতে। ফলে পণ্যের প্রকৃত দামের সাথে যুক্ত হচ্ছে অতিরিক্ত ‘চাঁদা খরচ’, যা শেষ পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে ভোক্তাদেরই।

সংঘর্ষ, দখল ও রক্তপাত

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিতে নিহত হন সাবেক বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান মোসাব্বির ওরফে মুসাব্বির, আহত হন আরো কয়েকজন। এরপর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চাঁদাবাজদের তালিকা ও নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করতে মাঠে নামে।

‘ধাপে ধাপে’ চাঁদা

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বাজারের প্রতিটি আড়ত, ফুটপাথ, ট্রাকস্ট্যান্ড, মাছের আড়ত- সবকিছুই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। পুরো এলাকাকে ১০-১২টি জোনে ভাগ করে প্রতিরাতে টাকা তোলা হয়। কোনো ব্যবসায়ীই বাদ যান না।

প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ট্রাক এসে মাল আনলোড করা, আড়তে তোলা, সেখান থেকে খুচরা বিক্রেতার গাড়িতে লোড- প্রতিটি ধাপেই আলাদা চাঁদা। এমনকি বাজার থেকে পণ্য বের করতেও দিতে হয় অতিরিক্ত টাকা। ব্যবসায়ীদের ভাষায়, ‘এক ইঞ্চি জায়গা ব্যবহার করলেও চাঁদা দিতে হয়।’

এই বাড়তি ব্যয়ের অজুহাতে পাইকারি সিন্ডিকেট পরে পণ্যের দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে কাগজে-কলমে বাজারে সরবরাহ ঠিক থাকলেও নিয়ন্ত্রণে আসে না মূল্যস্ফীতি।

রাজনৈতিক পালাবদল, চাঁদাবাজি অপরিবর্তিত

স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করলেও গণ-অভ্যুত্থানের পর সেই জায়গা দখল করেছে বিএনপির একাধিক গ্রুপ। অর্থাৎ দল বদলেছে, কিন্তু চাঁদাবাজির ধরন বদলায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় সিন্ডিকেট আরো বেপরোয়া হয়েছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বাজার নিয়ন্ত্রণে জড়িত একাধিক বিএনপি-ঘনিষ্ঠ নেতা, লাইনম্যান ও স্থানীয় প্রভাবশালীর নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে আড়ত, ফুটপাথ, ট্রাকস্ট্যান্ড, সিএনজি ও মাইক্রোস্ট্যান্ড, মাছের বাজার- সব জায়গা থেকে নিয়মিত টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি একজন প্রভাবশালী সাংবাদিকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ- তিনি এসব চক্রকে ‘শেল্টার’ দিয়ে পুলিশ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের থেকে রক্ষা করেন।

কোথায় কত টাকা

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়- পেট্রোবাংলার সামনে সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার টাকা; একুশে টিভির সামনের মাইক্রোস্ট্যান্ডে গাড়িপ্রতি ১,৮০০ টাকা করে, প্রতিদিন প্রায় ৩৬ হাজার; কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের গাড়ি থেকে মাসে লাখ টাকার বেশি; ফুটপাথের ছয়টি লাইনে প্রতি রাতে প্রায় ৩০ হাজার, মাসে প্রায় ৯ লাখ; ২ নম্বর সুপার মার্কেটের পাশের ১৫০টি আড়ত থেকে ঘরপ্রতি চার হাজার, মাসে প্রায় ১৮ লাখ ট্রাকপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকা করে রাতভিত্তিক তোলা; ডিআইটি মার্কেটের আশপাশ, পার্কিং, চায়ের দোকান, সিঁড়ির নিচের দোকান, সবখানেই নির্দিষ্ট হারে মাসিক চাঁদা; মাছের আড়তে শ্রমিক, বরফ, লোড-আনলোড, অবৈধ দোকান, সবকিছুতেই আলাদা টাকা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, শুধু মাছের বাজার থেকেই প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা তোলা হয়।

‘সবার ভাগ আছে’

অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের মাসিক নির্দিষ্ট অঙ্ক পৌঁছে দেয়া হয়। ফলে অভিযোগ করলেও প্রতিকার মেলে না। অনেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে বলেন, ‘চাঁদা না দিলে ব্যবসা করা যায় না, উল্টো হয়রানি শুরু হয়।’

প্রশাসনের বক্তব্য

অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, কাওরানবাজারে চাঁদাবাজি বহু পুরনো সমস্যা। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক সময় পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না।

তবে শক্ত রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে অল্প সময়েই বাজারকে চাঁদাবাজমুক্ত করা সম্ভব।

শেষ কথা

রাজধানীর নিত্যপণ্যের ‘হৃৎপিণ্ড’ যদি চাঁদাবাজির কবলে থাকে, তাহলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কেবল কাগুজে প্রতিশ্রুতি হয়ে থাকবে। কাওরানবাজারে সিন্ডিকেট ভাঙা না গেলে ভোক্তাদের পকেট কাটা বন্ধ হবে না- এমনটাই মনে করছেন ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকরা। এখন প্রশ্ন একটাই- সরকার কি সত্যিই এই ‘স্বর্গরাজ্য’ ভেঙে সাধারণ মানুষের বাজার ফিরিয়ে দিতে পারবে? 

কাওরানবাজারের এই চলমান অরাজকতা নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি এবং এর প্রভাবগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:


সিন্ডিকেটের প্রভাব ও বর্তমান চিত্র

রাজনৈতিক পালাবদলের পর সাধারণত জনমনে প্রত্যাশা থাকে যে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ হবে। কিন্তু কাওরানবাজারের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কেবল "চাঁদাবাজির হাতবদল" হয়েছে।

  • ভোক্তার ওপর প্রভাব: পাইকারি বাজারে যখন ধাপে ধাপে চাঁদা আদায় করা হয়, তখন ব্যবসায়ীরা তাদের লাভ ঠিক রাখতে সেই বাড়তি খরচ পণ্যের মূল্যের সাথে যোগ করেন। ফলে কৃষক ন্যায্য মূল্য পায় না, আবার সাধারণ ক্রেতাকেও চড়া দামে পণ্য কিনতে হয়।
  • কৃত্রিম মূল্যস্ফীতি: বাজারে পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও কেবল এই চাঁদাবাজি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে দাম কমছে না। এটি দেশের সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি (Inflation) নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
  • নিরাপত্তাহীনতা: আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, তা সাধারণ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। 

বর্তমান পরিস্থিতির মূল চ্যালেঞ্জসমূহ

তদন্ত সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় হওয়ার কথা থাকলেও মাঠপর্যায়ে এর সুফল এখনো অধরা থাকার কিছু কারণ রয়েছে:

চ্যালেঞ্জ বিবরণ
অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ অনেক সময় শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা ধরা পড়লেও তাদের অনুসারীরা নতুন নামে বা পরিচয়ে চাঁদাবাজি অব্যাহত রাখে।
অসাধু যোগসাজশ কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এবং প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যের যোগসাজশ এই প্রক্রিয়াকে টিকিয়ে রাখে।
বিকল্প ব্যবস্থার অভাব সরাসরি কৃষক থেকে ভোক্তার কাছে পণ্য পৌঁছানোর টেকসই চেইন না থাকায় পাইকারি বাজারের ওপর অতিনির্ভরশীলতা কাটছে না।

একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ: ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন বাজারে টাস্কফোর্স গঠন ও মনিটরিং শুরু করলেও কাওরানবাজারের মতো বিশাল ও জটিল কাঠামোতে এখনো শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব হয়নি।

  • উৎসর্গঃ প্রয়াত সোহেল পারভেজ ভাই (ভুয়াপুর, টাঙ্গাইল), প্রয়াত শরিফুল ইসলাম শাওন (কোলাহা, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল)
  • প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টাঃ 
  • সম্মানিত উপদেষ্টা মণ্ডলীঃ মনিরুজ্জামান খান মনির (সিঙ্গাপুর/ হেনা গ্লোবাল), আজহারুল ইসলাম (সিঙ্গাপুর/ এ টি এন ট্রাভেল),শওকত হোসেন তারেক, হেলাল উদ্দিন সিকদার, এনামুল করিম সুজন, রনক ইকরাম, আহসান কবির (কণ্ঠ শিল্পি) ।
  • বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ সামসাদ হসাইন রোজেন ।
  • কৃতজ্ঞতাঃ এ কে এম কামরুজ্জামান ভাই (ভিভিধ হলিডেজ) আতাউল হক, আতাউর রহমান মিন্টু, মেহেদি হাসান রফিক, রায়হান ফ্লেমিং (কণ্ঠ শিল্পি), প্রদীপ্ত বাপ্পি (কণ্ঠ শিল্পি), মোঃ গাজী নাজমুল নীরব, আলামগির হোসেন (বেরাইদ)।
  • আইন উপদেষ্টাঃ এড মোঃ রফিকুল ইসলাম।
  • প্রধান সম্পাদকঃ রহিম শাহ্‌।
  • প্রধান নির্বাহী সম্পাদকঃ সামছুল আরেফিন সোহেল ।
  • সম্পাদকঃ মঈন মুরসালিন ।
  • প্রকাশক এবং প্রধান নির্বাহীঃ স্বপন মিয়া ।
  • প্রধান কার্যনির্বাহীঃ সৈয়দ আবু তাহের (আয়রন) ।
  • হেড অফ বিজনেস অ্যান্ড প্লানিংঃ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ খান মাসুম ।
  • হেড অফ কমিউনিকেশনঃ 
  • হেড অফ মার্কেটিংঃ 
  • ফিচার সম্পাদকঃ 
  • বিশেষ বিভাগীয় প্রতিনিধি (ঢাকা)ঃ সৈয়দ সরোয়ার সাদী (রাজু) ।
  • বার্তা সম্পাদকঃ রশিদ নিউটন ।
  • ক্রিয়েটিভ আর্ট ডিরেক্টরঃ মোঃ গাজী নাজমুল নীরব ।
  • সিটিওঃ 
  • বিভাগীয় প্রধানঃ গোলাম মোস্তফা তালুকদার (ঢাকা), ইয়াসিন (চট্টগ্রাম) ।
  • ঢাকা রিপোর্টারঃ ।
ছক্কার ঝড়ে আলোচনায় প্রিয়ানশ আরিয়া
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
রংপুরে শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান, নতুন শনাক্ত ২৩ রোগী
জয়পুরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু ২০ মে
লোকালয়ে আসা হরিণ সুন্দরবনে অবমুক্ত
হরমুজ প্রণালির সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে যা জানা গেল
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
কেমন চুক্তিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই নিজেকেই বিজয়ী দাবি করতে পারবে?
বাবুগঞ্জে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা
ভারতকে দুঃসংবাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র
অবৈধভাবে মজুদ ১২০০ লিটার পেট্রোলসহ তিনজন গ্রেফতার
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িকে ধাক্কা, আহত ৫
ভোলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু, অনুপস্থিতি ৩৩ শতাংশ
এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি প্লাস অনলাইন সামিটে ভার্চুয়ালি ব্ক্তব্য দিলেন প্রধানমন্ত্রী
হরমুজ অবরোধ ‘কার্যকর’ করতে না পেরে যে যুক্তি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
সম্পদ ও সৌন্দর্যের মোহে ইসলামের সংযমনীতি
সোনারগাঁয়ে জমে উঠেছে সিদ্ধেশ্বরী বটতলার বউমেলা
৩৬ ঘণ্টায় ৮ ইরানি ট্যাঙ্কার আটকানোর দাবি আমেরিকার
ছক্কার ঝড়ে আলোচনায় প্রিয়ানশ আরিয়া
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
রংপুরে শুরু হাম-রুবেলা টিকাদান, নতুন শনাক্ত ২৩ রোগী
জয়পুরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু ২০ মে
লোকালয়ে আসা হরিণ সুন্দরবনে অবমুক্ত
হরমুজ প্রণালির সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে যা জানা গেল
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্ল্যান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সোনারগাঁয়ে পাচারকালে ১৩ কচ্ছপ উদ্ধার, জরিমানা
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
কেমন চুক্তিতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই নিজেকেই বিজয়ী দাবি করতে পারবে?
বাবুগঞ্জে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা
ভারতকে দুঃসংবাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র
অবৈধভাবে মজুদ ১২০০ লিটার পেট্রোলসহ তিনজন গ্রেফতার
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িকে ধাক্কা, আহত ৫
ভোলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু, অনুপস্থিতি ৩৩ শতাংশ
এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি প্লাস অনলাইন সামিটে ভার্চুয়ালি ব্ক্তব্য দিলেন প্রধানমন্ত্রী
হরমুজ অবরোধ ‘কার্যকর’ করতে না পেরে যে যুক্তি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
সম্পদ ও সৌন্দর্যের মোহে ইসলামের সংযমনীতি
সোনারগাঁয়ে জমে উঠেছে সিদ্ধেশ্বরী বটতলার বউমেলা
৩৬ ঘণ্টায় ৮ ইরানি ট্যাঙ্কার আটকানোর দাবি আমেরিকার
আজ জাতীয় ভোটার দিবস
জেনে নিন ডাকসু ভিপির বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা
তোমার কি বন্ধু মন খারাপ?
ফাইজার ও মডার্নার টিকা করোনার ভারতীয় ধরন ঠেকাতে সক্ষম!!!
সুগন্ধি গাছ কারিপাতা
আপন বোনকে বিয়ে করলো ভাই!
ছবি তোলা ও বাঘ সংরক্ষণ
লাউ চাষ
গ্রেপ্তার পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলস
পবিত্র কোরআন ও আহলাল বাইতের প্রেমবন্ধন
কাপড়ের শোরুম ব্যবসার আইডিয়া!
মোবাইল নাম্বার দিয়ে কারো পরিচয় বের করবেন যেভাবে
চুলে ফুলের ছোঁয়া
"একই ছবিতে মোশাররফ করিম এবং তাঁর স্ত্রী রোবেনা রেজা জুঁই, তবে এবারও একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে না এই দম্পতিকে"
শ্রাবন্তীর অজানা ১০ খবর
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ টিভি দেখার সময়
বাগদানের আংটি ফেরত চেয়ে আদালতে মামলা!
পাঁচ লড়াকু মেয়ের গল্প ‘ক্রিসক্রস’
শিশুর খাবারে অরুচি ও প্রতিকার
খোলামেলা পোশাকে ‘নির্লজ্জ’ সোনাক্ষী!

সব খবর