মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প - ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ও সরাসরি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, এটি ইরানের দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের একটি ঐতিহ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর আঞ্চলিক উত্তেজনা যখন চরমে, তখনই নতুন এক বক্তব্য দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, এই মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধান আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সহজসাধ্য। সামরিক অভিযানের মধ্যেই এমন বক্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
শনিবার সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা না বললেও সারা দিন বিভিন্ন মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্কে ফোনকলে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিবিএস নিউজের বব কস্তাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক অভিযান অত্যন্ত সফলভাবে এগিয়ে চলছে। এক দিন আগের তুলনায় এখন কূটনৈতিক সমঝোতা অনেক বেশি সহজ হয়ে গেছে। কারণ তারা অর্থাৎ ইরান বর্তমানে প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে এবং ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
চলতি সপ্তাহে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার সর্বশেষ ধাপ কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেয়, যা শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ হামলায় রূপ নেয়। ট্রাম্পের মতে, এই সামরিক চাপই ইরানকে আলোচনার টেবিলে শর্ত মানতে বাধ্য করবে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবর ট্রাম্প নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তবে ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করেননি। খামেনির পর কে ইরানের নেতৃত্ব দেবেন এমন প্রশ্নে ট্রাম্প সরাসরি কারও নাম বলেননি। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার পছন্দের যোগ্য কিছু প্রার্থী রয়েছেন, যাদের তিনি ইরানের ক্ষমতায় দেখতে চান।
একদিকে ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলছেন, অন্যদিকে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের শব্দ এখনো শোনা যাচ্ছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যতক্ষণ না ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি ও আঞ্চলিক কার্যক্রম নিয়ে ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ সামরিক চাপ অব্যাহত থাকবে।
সর্বোচ্চ নেতা
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির
মৃত্যুর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট
অত্যন্ত কঠোর ও সরাসরি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, এটি ইরানের দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও অবস্থানের মূল দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
সংক্ষেপে, ট্রাম্পের মতে খামেনি-উত্তর ইরান এখন একটি বিশাল পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে এবং তিনি এই পরিবর্তনের জন্য সর্বোচ্চ চাপ ও সামরিক শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখার পক্ষপাতী।