পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ ও ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে
হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ ও ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজকের (১ মার্চ ২০২৬) এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ঘটনার মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
- বিক্ষোভের কারণ: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন বলে ইরান নিশ্চিত করার পর বিক্ষোভকারীরা করাচির মার্কিন কনস্যুলেট অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।
- সংঘর্ষের বিবরণ: শত শত বিক্ষোভকারী কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। বিক্ষোভকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও কনস্যুলেটের জানালা ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, লাঠিচার্জ এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
- হতাহত: উদ্ধারকারী সংস্থা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের কয়েকজনের শরীরে গুলির ক্ষত পাওয়া গেছে।
- বর্তমান পরিস্থিতি: এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং কনস্যুলেটের চারপাশ ঘিরে রাখা হয়েছে। সিন্ধু প্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে ইরানি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করে যে, তেহরানে খামেনির কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর ইরানে ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।