ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের সরাসরি অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র সমালোচনা ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্রিটেন কখনও এমন আচরণ করবে তা তিনি ভাবেননি।
ঘটনার মূল প্রেক্ষাপট নিচে দেওয়া হলো:
- ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া: ট্রাম্প জানিয়েছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই অভিযানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেননি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিশেষ সম্পর্কটি এখন আর আগের মতো নেই।
- যুক্তরাজ্যের অবস্থান: প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট করেছেন যে, যুক্তরাজ্য ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসি বা আক্রমণাত্মক যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেবে না। তিনি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চান না বলে উল্লেখ করেন।
- সীমিত সহযোগিতা: সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও, মধ্যপ্রাচ্যে মিত্রদের রক্ষায় এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তায় যুক্তরাজ্য সীমিত পর্যায়ে রক্ষণাত্মক (defensive) কাজে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে।
- অভিযানের গতি: ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার "সবচেয়ে বড় হামলা" এখনও শুরুই হয়নি এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
এই ইস্যুতে ব্রিটেন বাদে ফ্রান্সসহ অন্যান্য মিত্র দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন।