সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনা থেকে ইরানি ওমরাহ যাত্রীদের হঠাৎ সরিয়ে নেওয়ার খবরটি বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নিরাপত্তার খাতিরে ইরান সরকার তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ ও প্রভাবগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আকাশসীমা বন্ধ: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে আকস্মিক সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান, ইরাক, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ছয়টি দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে এর ফলে নিয়মিত ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
- ইরানি ওমরাহ যাত্রীদের প্রত্যাবাসন: রিয়াদে নিযুক্ত ইরানি দূতের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে, সোমবার থেকে সৌদি-ইরাক সীমান্ত দিয়ে স্থলপথে ইরানি যাত্রীদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আকাশপথে বিমান চলাচল বন্ধ বা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অন্যান্য দেশের হজযাত্রীদের অবস্থা: ফ্লাইট বাতিলের কারণে শুধু ইরানি নয়, বরং বাংলাদেশ, ভারত ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার ওমরাহ যাত্রী মক্কা ও মদিনায় আটকা পড়েছেন।
- স্থলপথের ব্যবহার: কুর্দিস্তান ও দাগেস্তানের মতো অঞ্চলগুলোও তাদের আটকা পড়া যাত্রীদের বাস বা ট্রাকের মাধ্যমে স্থলপথে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
- বর্তমান অস্থিরতার কারণে বিভিন্ন দেশের হজ ও ওমরাহ কর্তৃপক্ষ নতুন করে যাত্রা শুরু করার আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দিচ্ছে।