যুক্তরাষ্ট্ ও ইসরায়েলের সাথে চলমান তীব্র উত্তজনা ও সংঘাতের আবহে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তারা এখনো তাদের সবচেয়ে উন্নত অস্ত্রগুলো যুদ্ধে ব্যবহার করেনি। ৪ মার্চ ২০২৬-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই সতর্কবার্তা দেয়।
ইরানের এই হুঁশিয়ারির প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি: ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক জানান, তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ এবং আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে।
- অস্ত্রের কৌশলগত ব্যবহার: মুখপাত্রের মতে, যুদ্ধের শুরুতেই সব ধরনের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয় না; বরং তেহরান তার সবচেয়ে শক্তিশালী এবং উন্নত অস্ত্রগুলো এখনো হাতে রেখেছে।
- সম্ভাব্য উন্নত অস্ত্রসমূহ: যদিও নির্দিষ্ট কোনো অস্ত্রের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা ইরান তার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র (যেমন ফাত্তাহ-১), উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি এবং খেইবার শেকান-এর মতো শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা ইঙ্গিত করেছে।
- প্রেক্ষাপট: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং মার্কিন সামরিক উপস্থিতির পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান এই শক্তি প্রদর্শনের বার্তা দিচ্ছে।
ইরান বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের বৃহত্তম মজুতধারী দেশ হিসেবে পরিচিত, যা তাদের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি বড় শক্তির উৎস।