মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর হুঙ্কার দিয়েছেন যে, দেশটির নতুন সুপ্রিম লিডার বা সম্ভাব্য উত্তরসূরিদেরও একইভাবে হত্যা করা হবে।
ঘটনাপ্রবাহের মূল তথ্যাবলি নিচে দেওয়া হলো:
- আকস্মিক হামলা ও খামেনির মৃত্যু: গত ১ মার্চ ২০২৬-এ ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প একে "ঐতিহাসিক ন্যায়বিচার" হিসেবে বর্ণনা করেন।
- পরবর্তী নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা: খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের সম্ভাব্য নতুন নেতাদের নিয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে, ইরান যদি তাদের শত্রুতা অব্যাহত রাখে তবে পরবর্তী কাউকেও ছাড় দেওয়া হবে না। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তারা যাদের কথা ভাবছিলেন তারাও হয়তো মারা গেছেন বা মারা যাবেন এবং খুব শীঘ্রই হয়তো কাউকে চেনার উপায় থাকবে না।
- হামলার কারণ: ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান তাকে দুইবার হত্যার চেষ্টা করেছিল এবং তিনি সেই হামলার আগেই খামেনিকে "শেষ" করে দিয়েছেন। এছাড়া ইরানের ৪৮ জন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা এই অভিযানে নিহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
- বর্তমান পরিস্থিতি: একদিকে ট্রাম্প নতুন নেতৃত্বের সাথে আলোচনার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি, অন্যদিকে তার প্রশাসন কঠোর সামরিক চাপ বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে।