ইরান ও ইসরায়েল - যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি বন্ধের হুমকির বিপরীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ইরানের হুমকি:
- তেল রপ্তানি অবরোধ: ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে তারা মধ্যপ্রাচ্য থেকে "এক লিটার তেলও" রপ্তানি করতে দেবে না।
- হরমুজ প্রণালি বন্ধ: কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি ইরান বর্তমানে প্রায় অচল করে রেখেছে, যা দিয়ে বিশ্বের মোট তেলের ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়।
ট্রাম্পের পাল্টা হুঁশিয়ারি:
- ২০ গুণ শক্তিশালী হামলা: ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ট্রুথ সোশ্যাল) হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আগের চেয়ে ২০ গুণ (২০-টি টাইম হার্ডার) বেশি শক্তিশালী হামলা চালাবে।
- অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি: তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, এমন হামলা চালানো হবে যাতে ইরানের পক্ষে একটি জাতি হিসেবে পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। একে তিনি "মৃত্যু, অগ্নি এবং ক্রোধের" (Death, Fire and Fury) রাজত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
- সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের প্রতিশ্রুতি: এত হুমকির মধ্যেও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, এই সংঘাত "খুব শীঘ্রই" শেষ হবে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
বাজারের প্রতিক্রিয়া:
- এই উত্তেজনার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যদিও ট্রাম্পের "যুদ্ধ শীঘ্রই শেষ হবে" এমন মন্তব্যের পর বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা দেয়।