রাইড শেয়ারিং অ্যাপে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল চালকদের জন্য দৈনিক জ্বালানি তেলের সীমা বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আজ ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
জ্বালানি সংগ্রহের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনাসমূহ নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
রাইড শেয়ারিং চালকদের জন্য নিয়মাবলী
আগে রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলের জন্য তেলের সীমা ছিল মাত্র ২ লিটার, যা এখন বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছে। তবে এই সুবিধা পেতে চালকদের কিছু শর্ত মানতে হবে:
- অ্যাপ ভেরিফিকেশন: ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষকে মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের তথ্য রাইড শেয়ারিং অ্যাপের (যেমন পাঠাও বা উবার) তথ্যের সাথে মিলিয়ে যাচাই করতে হবে।
- ক্রয় রশিদ সংগ্রহ: তেল নেওয়ার সময় পাম্প থেকে একটি রশিদ সংগ্রহ করতে হবে যেখানে তেলের ধরন (অকটেন বা পেট্রোল), পরিমাণ এবং মূল্য স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে।
- পূর্ববর্তী রশিদ জমা: পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় চালককে অবশ্যই আগের বার কেনা তেলের মূল রশিদটি ফিলিং স্টেশনে জমা দিতে হবে।
- এলাকা ভিত্তিক সীমা: এই ৫ লিটারের সীমা মূলত মহানগর বা সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে।
অন্যান্য যানবাহনের জন্য তেলের সীমা
সাধারণ ব্যক্তিগত যানবাহন বা অন্যান্য পরিবহনের জন্য আগের নির্ধারিত সীমা বহাল রয়েছে:
- ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল: প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার।
- ব্যক্তিগত গাড়ি: প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ লিটার।
- জিপ ও মাইক্রোবাস: প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লিটার।
- বাস ও ট্রাক: লোকাল বাসের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৭০-৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বড় ট্রাক বা বাসের জন্য ২০০-২২০ লিটার পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বিপিসি জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির কারণে আতঙ্কিত হয়ে মজুদ রোধ করতে এই রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।