বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
১. স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ: গত মার্চ থেকে দেশে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে ‘ডাইনামিক প্রাইসিং ফর্মুলা’ বা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে দাম কমলে সাধারণ মানুষ তার সুবিধা সরাসরি পাবে।
২. ভর্তুকি কমানোর লক্ষ্য: আইএমএফ-এর শর্ত এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে সরকার সরাসরি ভর্তুকি থেকে সরে এসে বাজারভিত্তিক দাম নির্ধারণের দিকে ঝুঁকছে। এতে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে।
৩. গ্যাসের দাম ও সরবরাহ: জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখার কথা বললেও, প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে গ্যাসের দাম কিছুটা সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
৪. বিদ্যুতের সমন্বয়: জ্বালানির দাম সরাসরি না বাড়লেও, উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের দাম ধাপে ধাপে সমন্বয়ের একটি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মূলত বিশ্ববাজারের অস্থিতিশীলতা থেকে দেশের ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে এবং নিয়মিত সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতেই সরকার এই ‘ধীরে চলো’ নীতি গ্রহণ করেছে।