যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং ইরান এই যুদ্ধের সময়সীমা বা সমাপ্তি ঠিক করবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
১০ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসি-র এই প্রতিক্রিয়া এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্যের পর। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হবে এবং ইরানের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তার এই বক্তব্যের পাল্টা জবাবে আইআরজিসি বেশ কিছু কড়া বার্তা দিয়েছে:
- যুদ্ধ সমাপ্তির ক্ষমতা: আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নায়িনী জানান, যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা ওয়াশিংটন নয়, তেহরানই নির্ধারণ করবে। তিনি ট্রাম্পের মন্তব্যকে "মিথ্যা" এবং সামরিক ব্যর্থতা আড়াল করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেন।
- তেল রফতানি বন্ধের হুমকি: আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই অঞ্চল থেকে এক লিটার তেলও যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল এবং তাদের সহযোগীদের কাছে রফতানি করতে দেওয়া হবে না।
- মিসাইল ক্ষমতা: ট্রাম্প ইরানের মিসাইল ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি করলেও নায়িনী দাবি করেন যে, যুদ্ধের শুরুর দিনের তুলনায় বর্তমানে ইরান আরও শক্তিশালী এবং বেশি ওজনের (এক টনের বেশি) ওয়ারহেড সমৃদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।
- আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ: আইআরজিসি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, অঞ্চলের ভবিষ্যৎ এবং যুদ্ধের সমীকরণ এখন তাদের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে রয়েছে।
এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান স্পষ্ট করেছে যে তারা মার্কিন চাপের মুখে নতি স্বীকার করতে রাজি নয় এবং সংঘাতের গতিপথ তারাই নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।