মার্চ ২০২৬-এর শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বাহরাইনের রাজধানী মানামায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এই হামলায় মার্কিন সেনাদের অবস্থান করা একটি হোটেল লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলে জানা গেছে।
হামলার মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- লক্ষ্যবস্তু: মানামার জুফফাইর (Juffair) এলাকায় অবস্থিত একটি হোটেল, যেখানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অবস্থান করছিলেন বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া ক্রাউন প্লাজা (Crowne Plaza) হোটেল এবং কিছু আবাসিক ভবনেও আঘাতের খবর পাওয়া গেছে।
- ব্যবহৃত অস্ত্র: হামলায় ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ (Shahed-136) ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
- হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি: প্রাথমিক রিপোর্টে কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের অন্তত ২ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় বেশ কিছু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
- হামলার কারণ: তেহরানের দাবি অনুযায়ী, ইরানের একটি পানি শোধন কেন্দ্রে (Desalination Plant) মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
- অন্যান্য প্রভাব: হামলার পর বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজধানীজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজায় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেয়। বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিট (5th Fleet)-ও এই উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ওই একই সময়ে কাতারের নৌবাহিনীর সদস্যরাও মানামার ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে অবস্থান করছিলেন, তবে তারা সবাই নিরাপদ আছেন বলে কাতার নিশ্চিত করেছে।