কেমন হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক?অনলাইন সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সামনে কেমন হতে পারে: একটি বিশেষ প্রতিবেদন
ঢাকা ও দিল্লি: সাম্প্রতিক নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিএনপির শীর্ষনেতা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, যা ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১. কূটনৈতিক পুনর্গঠন ও 'রিসেট' কৌশল
ভারতের পক্ষ থেকে সম্পর্কের একটি 'রিসেট' কৌশলের কথা ভাবা হচ্ছে ।ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সম্প্রতি উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ ও ভারত এখন একটি নতুন যুগের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে এবং উভয় দেশই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমৃদ্ধি অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে ।
২. অমীমাংসিত ইস্যু ও চ্যালেঞ্জ
সম্পর্ক উন্নয়নের পথে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে:
৪. ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের মধ্যে 'বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি' (CEPA) চূড়ান্ত হলে বাণিজ্য ও কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে এক বড় পরিবর্তন আসতে পারে । তবে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতার জন্য তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি এবং সীমান্ত হত্যার মতো সংবেদনশীল ইস্যুগুলোর সমাধান অত্যন্ত জরুরি।