সনদ ভুয়া প্রমাণিত হলে চাকরিচ্যুতি ও অর্থ ফেরতের হুঁশিয়ারি - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
সন্দেহের মূলে যা আছে:
সূত্রমতে, বিগত বছরগুলোতে বিশেষ কোটা সুবিধা পেতে এবং চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির আশায় অনেক সরকারি কর্মচারী ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে, যাদের জন্মতারিখ এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময়ের বয়স সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তারা এখন গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন।
তদন্তে যা উঠে এসেছে:
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, আট হাজারেরও বেশি সনদের বিপরীতে প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণ বা লাল মুক্তিবার্তায় নাম নেই। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যে এলাকায় যুদ্ধ করেছেন বলে দাবি করেছেন, সেই এলাকার কমান্ডার বা সহযোদ্ধারা তাকে চেনেন না।
মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আট হাজার সনদের প্রতিটি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হবে। যদি তদন্তে কোনো সনদ ভুয়া প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে:
জামুকার বক্তব্য:
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা করতেই এই শুদ্ধি অভিযান প্রয়োজন। যারা ভুয়া সনদ দিয়ে রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।"