প্রশিক্ষণ শেষে ফ্যাক্টরিতে যোগ দিচ্ছেন ১০০ জন তৃতীয় লিঙ্গের কর্মী - অনলাইন সংগৃহীত ছবি
আজ ২ এপ্রিল, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মূলত চাঁদাবাজি ও সামাজিক অস্থিরতা রোধে তাদের এই "অ্যান্টি-গুন স্কোয়াড" বা প্রতিরোধমূলক কর্মী বাহিনী কাজ করবে। নবীন বাংলাদেশের এই উদ্যোগে সমাজের অবহেলিত এই অংশটি যেমন মূলধারার কর্মসংস্থানে ফেরার সুযোগ পাবে, তেমনি সাধারণ মানুষের হয়রানিও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উদ্যোগের মূল লক্ষ্যসমূহ:
সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া:
নবীন বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, "অনেকেই মনে করেন তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা উৎপাদনশীল কাজে পারদর্শী নন। আমরা এই ধারণাটি ভুল প্রমাণ করতে চাই। তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা দক্ষ শ্রমিক হিসেবে গড়ে তুলছি"।
মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ নাগরিকরা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, যদি অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও একইভাবে এগিয়ে আসে, তবে রাস্তাঘাট ও যানবাহনে চাঁদাবাজির যে অভিযোগ প্রায়ই ওঠে, তা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার এর আগে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ শতাংশ কর ছাড় বা বেতনের ৭৫ শতাংশ রিফান্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল, যা বর্তমানে এ ধরনের উদ্যোগকে আরও উৎসাহিত করছে।